top of page

গাড়ির পিছে গণতন্ত্র দৌড়ায় -----

  • Writer: ফেরদৌসী পারভিন | Ferdawsi Pervin
    ফেরদৌসী পারভিন | Ferdawsi Pervin
  • Mar 1
  • 2 min read

ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব অনেক অত্যাচার অপমান সহ্য করেছেন। ২৪ এর আন্দোলনে পথে ছিলেন যার ফল পাচ্ছেন বর্তমান সরকার। তিনিই তারেক রহমানের গাড়ির পেছনে দৌড়াচ্ছেন। যা ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। কোনদিকে রাকিবের খেয়াল নাই। গাড়িটা যেন তার ভবিষ্যৎ লিখে দেবে।


অন্যদিকে জাইমা রহমানের এদেশের রাজনীতিতে কোন কনট্রিবিউশন নেই তিনি ছোট থেকে বড় হয়েছেন একটি উন্নত দেশে। তাঁকে সেখানে অনিশ্চয়তার জীবন যাপন করতে হয়নি। এদেশের ছাত্র ছত্রীদের মতো তিনি রাজপথে থেকে পুলিশের লাঠির বাড়ি খেতে হয়নি । কিন্তু জিয়া পরিবারের সদস্য হওয়ায় তাঁকে সবসময় বাবার সাথে দেখা যাচ্ছে। তাকে ভবিষ্যতে কিছু একটার জন্য এগিয়ে দেয়া হচ্ছে। এটা সেটারই প্রস্তুতি বলে মনে হচ্ছে। পারিবারিক রাজনীতি আর কতকাল ? দ্বিতীয় বেগেম জিয়া আর কেউ হবেনা। এটা বলাই যায়।


রাকিবরা শুধুই গাড়ির পেছনে দৌড়বে। কিন্তু কেন? তাহলে ছাত্র রাজনীতি কেন ? ছাত্ররা রাজপথে আন্দোলন করে সরকার পরিবর্তন করবে আর নেতাদের গাড়ির পেছনে দৌড়াবে।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ইংল্যান্ড ছিলেন। যাদের গণতন্ত্রের সূতিকাগার বলা হয়। কেন তাহলে রাকিবকে মর্যাদা দিতে পারেননা। কন্যাকে ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকারী তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ?

কদিন আগে একটা অনুষ্ঠানে দেখা গেছে ,এই রাকিব স্টেজের একপাশে চেয়ারে বসতে যাচ্ছিলেন যেখানে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সহ অনেক নেতাই বসে ছিলেন । কিন্তু দেখা গেল বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাতের ইশারায় রাকিবকে স্টেজের সামনে পা ঝুলিয়ে বসতে বললেন। রাকিব তাই করলেন । কিন্তু কেন ? রাকিব যদি কোন চেয়ারে বসতো তাহলে কি নেতাদের মর্যাদা কমে যেতো ? আমরা ভুলে যাই রাকিবের মতন ছাত্র নেতা কর্মীদের মাথায় পা দিয়ে ক্ষমতায় আসি। ছাত্ররা কেন জীবন দিয়ে রাজনীতি করবে ? তাদের যদি মূল্যায়ন করা না হয়। কেন জীবন দেবে?


আমাদের বুড়ো নেতারা দেশকে ছিবড়ে করে দিয়ে সবসময় তরুণদের সমালোচনা করবে। তার সাথে যোগ হয়েছে গিরগিটি সুশীল এবং পেইড দালাল ও মিডিয়া। কথায় কথায় বলে আন্দোলন করেছো ভালো কিন্তু রাজনীতি করতে হবে কেন?

সারাক্ষণ তরুনরা কত খারাপ সেটা বলতে তৎপর যদিও তারা অধিকাংশ মিথ্যে কথা বলে। একেবারে তাজা মিথ্যা । কয়েকজন তো চিহ্নিত। তারা হাসিনার আমলে মুখ খোলেনি বরং গুম হওয়ার ভয়ে চোখে ঠুলি পরে মুখে তালা দিয়ে রেখেছিল। ইউনুস সাহেব কিছু বলেনি বলে মুখ দিয়ে খই ফোটে এবং সবটাই তরুনদের এবং প্রফেসর ইউনুস সাহেবের বিরুদ্ধে। বলতে থাকুন সমস্যা নাই। কিন্তু তারা কি কখনো ভেবে দেখেছেন তারা দেশের জন্য কি করেছেন ?

যুগে যুগে তরুনরা নতুন আলো দেখিয়েছে। অভিজ্ঞতার ভুল ভ্রান্তি থাকতেই পারে । বুড়োরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেশটাকে দূর্নীতিতে ডুবিয়েছে। অনেক তো হলো। এবার অবসর নেবার পালা। বরং অভিভাবকের মতো তরুনদের এগিয়ে দিন গাইড করুন। তাহলেই দেশের জন্য মঙ্গল । এখন আপনাদের বিশ্রাম নেবার সময়।


ফেরদৌসী পারভিন

২৭ ,২ ,২০২৬


উত্তরা।

 
 
 

Recent Posts

See All
কবিতা ।

নয়নভাগা ----- পাহাড়ের গায়ে মেঘ লেগে আছে তোমার চোখের পাতায় ঘুম লেগে থাকার মতো । দূর থেকে দেখি বাতাস তাড়ানো ক্লান্ত মেঘকে একটুখানি ছুঁয়ে দিলেই গলে যাবে মোমের মতন। আমি ভালো নেই ,একদম ভালো নেই , হঠ

 
 
 
সুখের শব্দ সমুহ

সুখের শব্দ সমুহ ----- দীর্ঘ ৩২ বছরের বেশি সময় শিক্ষকতা পেশায় ছিলাম। বিভিন্ন স্তর পেরিয়ে প্রফেসর হয়েছি এবং অধ্যক্ষ হিসেবে অবসর নিয়েছি। আমি প্রফেসর ফেরদৌসী পারভিন। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় চাকুরী

 
 
 

Comments


©2024-26 | MKD

bottom of page